Sunday, June 26, 2016
স্মার্টফোনের ব্যটারী সাশ্রয় করার ১০টি উপায়
ব্যাটারী লাইফের অপ্রতুলতা সব স্মার্টফোন ইউজারদের কাছেই বড় একটি সমস্যা। প্রত্যেক বছর অত্যাধুনিক সব ব্যাটারী স্মার্টফোন জগতে প্রবেশ করলেও কিছু চার্জ খাওয়া অ্যাপ এবং অন্যান্য কারণে ব্যাটারী লাইফ নিয়ে ভালোই বিবৃত হন স্মার্টফোন ইউজাররা।
তবে কিছু সাধারণ কৌশল, অ্যাপ এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্টফোনের ব্যাটারী লাইফ ধরে রাখা সম্ভব। এখানে ব্যটারী লাইফ ধরে রাখার ১০টি টিপস প্রদান করা হলো:
ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা কমানো
স্মার্টফোনরা ইতোমধ্যেই এ টিপসটি সম্বন্ধে জ্ঞাত। এই টিপসটি ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোন দুটি ডিভাইসেই সমান কার্যকর। বেশিরভাগ স্মার্টফোনের অটো ব্রাইটনেস ফিচার আছে। তবে ডিসপ্লের উজ্জ্বলতা ম্যানুয়ালী ঠিক করে নিলে তা ব্যাটারী লাইফের জন্য অধিক কার্যকর।3
অন্ধকার ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করা
আপনি যদি এএমওএলইডি স্ক্রিনযুক্ত স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন এবং ডিসপ্লে ব্যাকগ্রাউন্ডে কালো বা অন্ধকার ওয়ালপেপার সেট করেন তবে এটি ব্যাটারী সাশ্রয় করে। আপনার স্ক্রিনে যত বেশি কালো পিক্সেল থাকবে আপনার ফোনে ব্যটারী তত কম খরচ হবে।
লো পাওয়ার মোড সক্রিয় করা
আপনার ফোন যদি অ্যান্ড্রয়েড ৫.০ অথবা এর পরবর্তী কোন সংস্করণে চলে তবে এটিতে লো পাওয়ার মোড দেখে থাকবেন আপনি। আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারী ১৫ শতাংশের নিচে নেমে এলেই স্বয়িংক্রিয়ভাবে এই লো পাওয়ার মোড সক্রিয় হয়।
তাছাড়া অ্যান্ড্রয়েড মার্শম্যালো অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোনগুলোতে ডজ নামে একটি ফিচার আছে। স্মার্টফোন অনেকক্ষণ ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে এই ফিচারটি ফোনকে হাইবারনেশন মোডে রূপান্তর করে।
লক স্ক্রিন নোটিফিকেশনস চালু করা
লক স্ক্রিন নোটিফিকেশনস চালু করে স্মার্টফোনের ব্যাটারী লাইফ সাশ্রয় করা সম্ভব। ফোন আনলক না করেই এই ফিচারটির মাধ্যমে নোটিফিকেশন পড়তে পারবেন আপনি।
প্রয়োজন ছাড়া লোকেশন ট্রাকিং অন অ্যাপ বন্ধ করে রাখা
আপনার স্মার্টফোনে এমন অনেক অ্যাপই আছে যা প্রতিনিয়ত আপনার লোকেশন ট্রাক করছে। তবে অনেক অ্যাপেই এ তথ্য আদতে কাজে লাগে না। তাই ব্যটারী লাইফ সাশ্রয় করার জন্য প্রয়োজনানুযায়ী লোকেশন ট্রাক নিষ্ক্রিয় করে রাখতে পারেন আপনি। জিপিএস ট্রাকিং আপনার স্মার্টফোনের প্রচুর ব্যটারী খরচ করে থাকে।
ওয়াই-ফাই কানেকশনে অ্যাপ আপডেট করার জন্য সময় ধার্য করা
স্মার্টফোনের ব্যটারী লাইফ সাশ্রয় করতে চাইলে সবসময় ওয়াই-ফাই কানেকশনে অ্যাপ আপডেট বা সময় ধার্য করে দিন। এর ফলে ওয়াই-ফাই অ্যাপ আপডেট হওয়ার সময় আপনার ফোনে শক্তি সাশ্রয় হবে।
‘ডু নট ডিস্টার্ব’ এবং ‘এয়ারপ্লেন মোড’ ব্যবহার করা
আপনি যখনই আপনার ফোন ফ্লাইট/এয়ারপ্লেন মোডে রাখবেন এটি সব ধরণের তারবিহীন ফিচার নিস্ক্রিয় করে দেবে। সেলুলার এবং ওয়াই-ফাই কানেকশন দূর্বল থাকা অঞ্চলগুলোতে এই ফিচারটি সক্রিয় করে ফোনের ব্যটারী লাইফ সাশ্রয় করতে পারেন আপনি।
স্মার্টফোনের নিজস্ব ব্যাটারীর উপর নির্ভর থাকা
স্মার্টফোনে ভালো ব্যটারী লাইফের জন্য নিজস্ব ব্যাটারী ছেড়ে অন্য কোন ব্যাটারী ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। তাতে লাভের থেকে ক্ষতিই হয়। আপনি হয়তো টাকা দিয়ে সেকেন্ড রেট ব্যটারী কিনবেন তবে মনে রাখবেন তাতে আপনি খুব বেশি লাভবান হবেন না।
ভাইব্রেশন এবং হ্যাপ্টিক ফিডব্যাক নিস্ক্রিয় করে রাখা
একই সাথে রিঙ্গার এবং ভাইব্রেশন সক্রিয় স্মার্টফোনগুলোতে ব্যটারী বেশি খরচ হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে ব্যটারী সাশ্রয় করতে ভাইব্রেশন বন্ধ করে রাখতে চাইবেন আপনি। তাছাড়া হ্যাপ্টিক ফিডব্যাক বন্ধ করার মাধ্যমেও ব্যাটারী সাশ্রয় করতে পারেন আপনি।
সংক্ষিপ্ত টাইমআউট
সব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনই ডিসপ্লে টাইমআউটের সময় কাস্টমাইজ করার সুযোগ দেয়। সেক্ষেত্রে ফোনের ব্যটারী সাশ্রয় করতে টাইমআউট ৩০ সেকেন্ডে নামিয়ে আনতে পারেন আপনি।
Saturday, June 25, 2016
যে ৫টি কারণে ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহার করা উচিত আপনার
বেশিরভাগ মানুষই ক্লাউড স্টোরেজ থেকে খুব বেশি একটা সুবিধা নেন না। অথচ সার্ভিসগুলোতে গ্রাহকদের জন্য অনেক ধরণের সুবিধা থাকে। আর সুবিধা না গ্রহণ করার তালিকায় যদি আপনি থাকেন তবে এই প্রতিবেদনটি
আপনাকে ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহারের সুবিধাগুলো বলবে।
ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসগুলো এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স থেকে শুরু করে মাইক্রোসফটের ওয়ানড্রাইভসহ অনলাইনে এখন প্রচুর ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এসব ক্লাউড স্টোরেজে নিজের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি স্টোর করে রাখতে পারবেন আপনি।
তবে এটি এতোটা জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও বেশিরভাগ মানুষই ক্লাউড স্টোরেজ থেকে খুব বেশি একটা সুবিধা নেন না। অথচ সার্ভিসগুলোতে গ্রাহকদের জন্য অনেক ধরণের সুবিধা থাকে। আর সুবিধা না গ্রহণ করার তালিকায় যদি আপনি থাকেন তবে এই প্রতিবেদনটি আপনাকে ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহারের সুবিধাগুলো বলবে।
১. ফাইলের
অস্তিত্বের নিশ্চয়তা
১০০ শতাংশ
আপনি যে ক্লাউড স্টোরেজটিই ব্যবহার করুন না কেন, আপনি একেবারে ঝুট-ঝামেলা ছাড়া নিখাদ কয়েক গিগাবাইটের স্টোরেজ বিনামূল্যে পাবেন। সুতরাং কোন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সহজেই ক্লাউড স্টোরেজে আপলোড করে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন আপনি। কারণ এটি হারানোর ভয় একদমই নেই।
২. কোন কিছু পরিশোধ করার
প্রয়োজন নেই
ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসে পেইড অ্যাকাউন্ট থাকলেও মোটামুটি সবকটিতেই ফ্রি-লেভেল অ্যাকাউন্ট থাকে। এই ফ্রি অ্যকাউন্টে ২-১৫ জিবির মতো ফ্রি ক্লাউড স্টোরেজ থাকে। সুতরাং কোন ধরণের টাকা ছাড়াই যদি এতোগুলো স্টোরেজ আপনি পান তবে এগুলো ব্যবহার থেকে বঞ্চিত থাকবেন কেন?
৩. যে কোথাও ফাইলগুলো পাওয়া
যাবে
ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো গুরুত্বপূর্ণ
ফাইগুলো নিয়ে সবখানে আপনাকে বয়ে বেড়ানো লাগবে না। আপনি শুধু ক্লাউড স্টোরেজে লগইন করে ফাইলগুলো পেয়ে যেতে পারবেন। আর তার জন্য আপনার একটি ওয়েব ব্রাউজার এবং ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে।
৪. ঠিক সময়ে সহযোগিতা
বেশিরভাগ ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসই সঠিক সময়ে তথ্য দিয়ে আপনাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। আপনি শুধুমাত্র একটি ফাইল আপলোড দিয়েই অন্য ইউজারদের ইনভাইট করতে পারেন। অর্থাৎ, ঐ নির্দিষ্ট ফাইল নিয়ে অন্য ইউজারদের ইনভাইটের মাধ্যমে তাদের সাথে কাজ করতে পারবেন আপনি। ফাইলে কোন ধরণের পরিবর্তন হলে সবার কাছে ঐ পরিবর্তনটি সাথে সাথে চলে যাবে।
৫. অ্যাকসেস
কন্ট্রোল সেটিংসহ
খুব সহজে
ফাইল শেয়ারিং
ক্লাউজ স্টোরেজে আপলোড করা ফাইল যেকোন সময় যত খুশি তত ইউজারের সাথে শেয়ার করতে পারবেন আপনি। তাছাড়া কোন ইউজার কী দেখবে, এডিট করবে বা ডাউনলোড করবে তাও ঠিক করতে পারবেন আপনি।












